বাজারে এলো স্যামসাংয়ের স্পেসম্যাক্স সিরিজের রেফ্রিজারেটর | সংবাদ

1

স্টাফ রিপোর্টার: বাজারে এলো স্যামসাংয়ের স্পেসম্যাক্স সিরিজের রেফ্রিজারেটরস্যামসাং কনজ্যুমার ইলেক্ট্রনিক্স বাংলাদেশ বাজারে নিয়ে এলো রেফ্রিজারেটগুলো টু-ডোর এবং থ্রি-ডোর বিশিষ্ট স্পেসম্যাক্স সিরিজের সাইড-বাই-সাইড রেফ্রিজারেটর। রোববার রাজধানী একটি হোটেলে এক অনুষ্ঠানে রেফ্রিজারেটরগুলো উন্মোচন করা হয়।
অনুষ্ঠানে শাহরিয়ার বিন লুৎফর, হেড অব বিজনেস, কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স, স্যামসাং বাংলাদেশ, বলেন, স্যামসাং রেফ্রিজারেটর স্পেস বা প্রশস্ত জায়গার ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত উদ্ভাবনী প্রযুক্তির মাধ্যমে ক্রেতাদের জন্য অভিনব পণ্য নিয়ে আসে।
তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা নতুন স্পেসম্যাক্স সিরিজের সাইড-বাই-সাইড রেফ্রিজারেটরগুলো বাজারে আনতে পেরে সত্যিই আনন্দিত। ভিন্নভাবে ডিজাইন করা রেফ্রিজারেটরগুলো ক্রেতাদের খাবার সংরক্ষণের ধারণা বদলে দিবে।
নতুন এই রেফ্রিজারেটরগুলোতে স্পেসম্যাক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে যার ফলে রেফ্রিজারেটরের আকারের তুলনায় এর ভেতরে খাবার সংরক্ষণের জন্য বেশি জায়গা পাওয়া যায় এবং তুলনামূলক কম বিদ্যুৎশক্তি ব্যবহার করে।
এই সিরিজের রেফ্রিজারেটরের সবদিকে কুলিং সিস্টেম রয়েছে যার ফলে ঠাণ্ডা বাতাস বের হওয়ার বহু নির্গমন পথ রয়েছে। যা পুরো রেফ্রিজারেটরকে ঠাণ্ডা রাখে এবং দীর্ঘ সময় খাবার তাজা রাখতে সর্বোত্তম তাপমাত্রা বজায় রাখে।
রেফ্রিজারেটরগুলোতে ব্যবহার করা হয়েছে স্যামসাং ডিজিটাল ইনভার্টার কমপ্রেসর যা ৫০% পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
নতুন সিরিজের এই রেফ্রিজারেটরগুলোতে রয়েছে পাওয়ার কুল এবং পাওয়ার ফ্রিজ। পাওয়ার কুল বাটন চাপার সঙ্গে সঙ্গেই ঠাণ্ডা বাতাস দ্রুত ঠাণ্ডা পানি এবং আনুষঙ্গিক অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য।
পাওয়ার ফ্রিজার ফিচারের মাধ্যমে দ্রুত গতিতে বের হওয়া ঠাণ্ডা বাতাস ফ্রিজারকে এতোটাই ঠাণ্ডা করে যে সেখানে ফ্রোজেন ফুড সংরক্ষণের পাশাপাশি দ্রুত সময়ে বরফ তৈরি করা যায়।
বাজারে টু-ডোর মডেলের রেফ্রিজারেটর পাওয়া যাবে ১৫৯,৯০০ টাকা থেকে এবং থ্রি-ডোর মডেলের রেফ্রিজারেটর দাম শুরু ১৮৯,৯০০ টাকা থেকে।
৬৪৭ লিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন টু-ডোর রেফ্রিজারেটরের রয়েছে তিনটি মডেল (আরএস৭২আর৫০০০১এম৯/টিএল, আরএস৭২আর৫০১১এসএল/টিএল এবং আরএস৭৪আর৫১০১এসএল/টিএল), অন্যদিকে ৬৩৪-৬৪৭ লিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন থ্রি-ডোর রেফ্রিজারেটরের রয়েছে দুটি মডেল (আরএস৭৩আর৫৫৬১বি৪/টিএল এবং আরএস৭৩আর৫৫৬১এফ৮/টিএল) সূত্র যুগান্তর