যেভাবে পল্লীবন্ধু হয়ে ওঠেন এরশাদ | সংবাদ

8

স্টাফ রিপোর্টার: হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।যেখানে পা রেখেছেন সেখানে বিজয়ের চিহ্ন এঁকেছেন।জীবনে সোনালী রাজনীতির ভাজে ভাজে সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে গ্রাম বাংলার মানুষের ভালোবাসা। বাংলা ও বাঙালিকে তিনি প্রাণের চেয়ে বেশি ভালোবাসতেন। তাই বাংলার মানুষের কাছে তিনি হয়ে উঠেছিলেন পল্লীবন্ধু।
কারণ তিনি বাংলাদেশের প্রত্তর অঞ্চলে ঘুরে বেরিয়েছেন। বাংলাদেশের কোনো রাষ্ট্র প্রধান মানুষের এত কাছে যাওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করতে পারেননি।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন রোববার সকাল পৌনে ৮টার দিকে তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।
বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দক্ষ ও সফল রাষ্ট্রনায়কের সম্মানে অভিহিত করা হয় হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে। তিনি আধুনিক বাংলার স্বপ্নদ্রষ্টা।
১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সেনানায়ক থেকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হয়েই তিনি বললেন, ৬৮ হাজার গ্রাম বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে। বাংলার মানুষ তাই তাকে স্বতঃস্ফুর্তভাবে উপাধী দিয়েছে পল্লীবন্ধু।
তিনি একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক ও সেনাপ্রধান ছিলেন। প্রশাসক ও কবির স্বপ্ন একসঙ্গে একাকার হয়ে ছিল বলেই তিনি হতে পেরেছেন গতিশীল, আধুনিক ও মানবতাবাদী মনের মানুষ।
১৯৮৩ সালে তিনি রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ করেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। দেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের উদ্দেশ্য ঘোষণা করে তিনি ১৯৮৬ সালে সংসদীয় সাধারণ নির্বাচন দেন। এই নির্বাচনে তিনি স্বপ্রতিষ্ঠিত জাতীয় পার্টির ভোটপ্রার্থী হিসাবে অংশগ্রহণ করেন এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
১৯৯০ সালে দেশের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে তিনি পদত্যাগ করে দেশের গণতান্ত্রিক ধারা বজায় রাখেন।
যোগাযোগ, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা, পল্লী উন্নয়ন, শিক্ষা-স্বাস্থ্য, ভূমি সংস্কার, টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কের হাজার হাজার প্রকল্প। এর মধ্যে কৃষি ও শিল্প উন্নয়নমুলক প্রকল্পের সংখ্যাই বেশি। এছাড়া সড়ক উন্নয়নসহ যোগাযোগের আধুনিকায়ন।
সূত্র যুগান্তর