যুবলীগ নেতাকে পেটাতে পেটাতে হাসপাতালে নিলেন ছাত্রদল কর্মী | সংবাদ

108

স্টাফ রিপোর্টার: হাসপাতালে চিকিৎসাধীন যুবলীগ নেতা সুজন মীরবাউফলে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুজন মীর (২৬) নামে এক যুবলীগ নেতাকে প্রকাশ্যে কয়েক দফায় পিটিয়ে জখম করেছেন ছাত্রদল কর্মী মো. রাকিব ও তার লোকজন।
বুধবার দুপুরে বাউফল পৌর শহরে ঘটে এ ঘটনা।
সুজন কনকদিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক। আহত সুজনকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা গেছে, ঘটনার দিন দুপুর ১টার দিকে সুজন মীর কনকদিয়ার কুম্ভখালী গ্রাম থেকে মনির ও আনিছ নামের দুই ব্যক্তিকে নিয়ে বাউফল সাবরেজিস্ট্রি অফিসে আসেন। ওই অফিসে কাজ শেষ করে তারা মোটরসাইকেল যোগে চলে যাওয়ার সময় চালক সুজন মীর সামনে থাকা কয়েকজন পথচারীকে দেখে হর্ণ বাজান।
এতে ক্ষুদ্ধ হন ছাত্রদল কর্মী মো. রাকিব। দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তিনি সুজন মীরকে এলোপাথাড়ি ভাবে কিল ঘুষি মারেন। এ সময়ে রাকিবও আহত হন।
এরপর রাকিবসহ কয়েকজন পুনরায় বাউফল পাবলিক মাঠের পাশে তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে হামলা চালায়। এর মধ্যে মনির ও আনিচ দৌঁড়ে আত্মরক্ষা করলেও যুবলীগ নেতা সুজন মীরকে তারা বেধড়ক পিটিয়ে জখম করে।
এক পর্যায়ে তারা সুজন মীরকে একটি অটোরিকশায় তুলে পেটাতে পেটাতে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরপর হাসপাতালের ভিতরে ঢুকিয়েও আবারও মারধর করা হয় যুবলীগ ওই নেতাকে। হাসপাতালে আগতদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
বাউফল থানার ওসি খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। সূত্র যুগান্তর