পাপের বোঝা আর বৃদ্ধি করবেন না; শেষকালে ভালো কিছু করে যান: ইসিকে ইসলামী আন্দোলন|

পাপের বোঝা আর বৃদ্ধি করবেন না; শেষকালে ভালো কিছু করে যান: ইসিকে ইসলামী আন্দোলন|

ইসিকে উদ্দেশ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর নেতৃবৃন্দ বলেছেন, জনতার ধৈয্যের বাঁধ ভেঙ্গে যাচ্ছে। এভাবে যদি চলতে থাকে এবং আগামীকালের নির্বাচনেও সন্ত্রাস ও দস্যুতা করা হয়, তাহলে পরিণতি কারো জন্য ভাল হবে না। পাপের বোঝা আর বৃদ্ধি করবেন না। শেষকালে ভালো কিছু করে যান, অন্তত একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করে দেখিয়ে দিন।
শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব প্রিন্সিপাল মাওলানা ইউনুছ আহমাদ এর সভাপতিত্বে মজিলসে আমেলার এক সভায় নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেছেন বলে সংবাদমাধ্যমে প্রেরিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীদের হামলা ও অগ্নিসংযোগ করে বাড়ী-ঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। চাটখিল উপজেলার পালপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা মেজবাহ উদ্দিনের স্বাক্ষর জালিয়াতী করে আওয়ামী লীগের এক নেতা মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নির্বাচনকে কলঙ্কিত করেছে। নীলফামারী জেলা সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যাস প্রাথী জাহাঙ্গীল আলমের বাড়ী-ঘর পেট্টোল দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। এতে গরু-বাছুর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ভোলা জেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীর উপর হামলা করে প্রার্থীর মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। এগুলোর কোন প্রতিকার নেই।
সভায় ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, আগামীকাল ইউনিয়ন পরিষদের ৪র্থ ধাপের নির্বাচন হতে যাচ্ছে। বিগত ৩টি ধাপের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনগুলো জনমতে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে আগামীকাল কি নির্বাচন হবে না কি আরেকটি খুনোখুনির উৎসব হবে? আগামীকালের নির্বাচনকে কলঙ্কের আরেকটি অধ্যায় সৃষ্টি করবেন না।

তিনি বলেন, নির্বাচন হলো শাসন ক্ষমতায় জনতার মতামত প্রতিফলনের একটি পদ্ধতি, কিন্তু বাংলাদেশে নির্বাচন হয়ে উঠেছে সামাজিক হানাহানির কুৎসিৎ উৎসবে যার প্রধানতম দায় সরকার দলীয় নেতাকর্মীরা।

সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, আমিনুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহকারী মহাসচিব শেখ ফজলে বারী মাসউদ, মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম আতিকুর রহমান, অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, আহমদ আবদুল কাইয়ূম, মাওলানা খলিলুর রহমান, উপাধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম, জিএম রুহুল আমিন, হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান, শেখ ফজলুল করীম মারূফ, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, আলহাজ্ব হারুনুর রশিদ, মুফতি হেমায়েতুল্লাহ, মুফতি দিলাওয়ার হোসাইন সাকী, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, এডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার. মাওলানা কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, মাওলানা এবিএম জাকারিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© All rights reserved © 2017 RTNBD.net