সিনেমা স্টাইলে যুবলীগ নেতাকে পেটাতে পেটাতে হাসপাতালে নিলেন ছাত্রদল কর্মী

652

স্টাফ রিপোর্টার:প্রকাশ্য রাস্তায় এক যুব লীগ নেতাকে সিনেমা স্টাইলে নির্যাতন করেছেন এক বিএনপি নেতার ভাইর ছেলে। নির্যাতিত ওই যুবলীগ নেতার নাম সুজন মীর। বাবার নাম বাদশা মীর ।

উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের হোগলা গ্রামে তার বাড়ি। আহত সুজনকে বাউফল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে পৌর শহরে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে বিএনপির নেতার ভাইর ছেলে ছাত্রদল কর্মী বলে জানা যায়।

জানা গেছে, ঘটনার দিন দুপুর ১টার দিকে সুজন মীর কনকদিয়ার কুম্ভখালী গ্রাম থেকে মনির ও আনিছ নামের দুই ব্যক্তিকে নিয়ে বাউফল সাবরেজিস্ট্রি অফিসে আসেন। ওই অফিসে কাজ শেষ করে তারা মোটরসাইকেল যোগে চলে যাওয়ার সময় চালক সুজন মীর সামনে থাকা কয়েকজন পথচারীকে দেখে হর্ণ বাজান।

এতে ক্ষুদ্ধ হন ছাত্রদল কর্মী মো. রাকিব। দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তিনি সুজন মীরকে এলোপাথাড়ি ভাবে কিল ঘুষি মারেন। এ সময়ে রাকিবও আহত হন।

বশ্য এ অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতা হুমায়ন কবির বলেন, তর্ক বির্তকের এক পর্যায়ে বাইক চালক সুজর মীর তার ভাইর ছেলে রাকিবকে চাবির রিং দিয়ে আঘাত করেন। এতে তিনি রক্তাক্ত জখম হন।

এ ঘটনার পর যুব লীগ নেতা সুজন মীর তার সাথের দুই ব্যক্তিকে নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব হাওলাদারের পরিষদের বাসায় যাওয়ার পথে নিউ নিরাময় ডায়গনস্টিক সেন্টারের সামনে ওই বিএনপি নেতার ভাই ছেলে রাকিবসহ কয়েকজন পুনরায় তাদের মটর বাইকের গতি রোধ করে হামলা চালায়।

এর মধ্যে মনির ও আনিচ দৌঁড়ে আত্মরক্ষা করলেও যুব লীগ নেতা সুজন মীরকে তারা বেধরক পিটিয়ে জখম করে।

এক পর্যায়ে তারা সুজন মীরকে একটি অটোরিকশায় তুলে পেটাতে পেটাতে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরপর হাসপাতালের ভিতরে ঢুকিয়েও আবারও মারধর করা হয় যুবলীগ ওই নেতাকে। হাসপাতালে আগতদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

বাউফল থানার ওসি খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।