চাল আমদানিতে শুল্ক কর বৃদ্ধি | সংবাদ

13

স্টাফ রিপোর্টার: গ্রীষ্মের খরতাপে মাঠে ব্যস্ত কৃষক-কৃষাণীরা। কিশোরগঞ্জের নিকলীর ডুবি গ্রাম থেকে ছবিটি তুলেছেন যোবায়ের আহসান জাবেরচাল আমদানিতে শুল্ক কর বৃদ্ধি সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে এনবিআর (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড)।
বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ এ. মু’মেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এসআরও জারি করা হয়।
আদেশে বলা হয়, বর্তমানে চালের আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ বহাল রেখে রেগুলেটরি ডিউটি ৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৫ শতাংশ অগ্রিম আয়কর আরোপ করা হয়েছে।ফলে চাল আমদানির ক্ষেত্রে মোট করভার ৫৫ শতাংশে উন্নীত হল।
এনবিআর জানিয়েছে, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চাল আমদানি নিরূৎসাহিত করতে চালের আমদানি শুল্ক বাড়ানো হল।

চলতি ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে ১০ মাসে প্রায় ৩ লাখ ৩ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির তথ্য জানিয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, এতে দেশীয় কৃষকগণ উৎপাদন খরচের চেয়ে কম মূল্যে চাল বিক্রয় করতে বাধ্য হচ্ছে। যার ফলে প্রান্তিক কৃষকগণ আর্থিকভাবে বিপুল ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
তিনি বলেন, কৃষকগণকে আর্থিক ক্ষতি হতে রক্ষাকল্পে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদয় অনুশাসন অনুযায়ী আমরা আমদানি পর্যায়ে চালের উপর আমদানি শুল্ক-কর বৃদ্ধি করেছি।
এবার বোরোর ভালো ফলনের পর সরকারি পর্যায়ে ধান-চাল কেনা শুরু না হওয়ায় কৃষকরা ফড়িয়াদের কাছে বিক্রিতে বাধ্য হচ্ছিলেন। এতে উৎপাদন খরচ না ওঠায় অসন্তোষ থেকে পাকা ধানে কৃষকের আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

এই পরিস্থিতিতে কৃষকদের রক্ষায় চাল আমদানি সম্পূর্ণ বন্ধ করার সুপারিশ করেছিল খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
এছাড়া গত ২০ মে চাল আমদানি বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, দেশের কৃষকদের ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে চাল আমদানিতে কঠোর হবে সরকার এবং আমদানি নিরুৎসাহিত করতে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হবে। পাশাপাশি দেশের বাড়তি চাল রফতানির উদ্যোগ হিসেবে ভর্তুকি দেয়া হবে। সূত্র যুগান্তর