নির্বাচন পরিচালনায় আব্দুল হামিদের কাছে শুধু সরকারি কর্মচারী চাইলেন হাসিনা

নির্বাচন পরিচালনায় আব্দুল হামিদের কাছে শুধু সরকারি কর্মচারী চাইলেন হাসিনা

নির্বাচন পরিচালনায় শুধু প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ চায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। সোমবার (১৭ জানুয়ারি) বিকালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১০ সদস্যের প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে ইসি গঠন নিয়ে আলোচনায় করতে গেলে আওয়ামী লীগ এই প্রস্তাব দেয়।

এ সময় নির্বাচনে পেশিশক্তির প্রয়োগ বন্ধ এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ সব পর্যায়ের ভোটারদের অবাধ ভোটপ্রদানের সুযোগ নিশ্চিত করার প্রস্তাবও করা হয়। নির্বাচনের আগে-পরে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, নির্বাচনকালে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে ন্যস্ত করা এবং নির্বাচনকালীন সরকারের কার্যক্রম রুটিন দায়িত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার বিষয়টি প্রতিনিধি দল তুলে ধরে বলে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন জানান।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জানান, সোমবার মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠনে আইনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, দ্রুত আইনটি প্রণয়নের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।’
রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন এবং সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

গত ২০ ডিসেম্বর সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সঙ্গে মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে বঙ্গভবনে এবারের সংলাপের খাতা খোলেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

সোমবার ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে আলোচনার মধ্য দিয়ে শেষ হবে রাষ্ট্রপতির এবারের সংলাপ। আলোচনা শেষ হওয়ার পর গঠন করা হবে ‘সার্চ কমিটি’। এই কমিটি নতুন ইসি গঠনের জন্য যোগ্য ব্যক্তিদের নাম প্রস্তাব করবে রাষ্ট্রপতির কাছে।

সেখান থেকে বেছে নিয়ে পাঁচ বছরের জন্য নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন রাষ্ট্রপতি। সেই কমিশনের অধীনেই ২০২৩ সালের শেষের দিকে হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।

এবার নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপ্রধান মো. আবদুল হামিদের আহ্বানে প্রায় একমাস ধরে চলা এই সংলাপে আমন্ত্রণ জানানো হয় ৩২টি রাজনৈতিক দলকে। ইতোমধ্যে ২৫টি দলের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

আগের সংলাপগুলোতে অংশ নেওয়া বিএনপি এবার রাষ্ট্রপতির উদ্যোগে সাড়া দেয়নি। এ ছাড়া সিপিবি, বাসদ, জেএসডিসহ সাতটি দল সংলাপে অংশ নেবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© All rights reserved © 2017 RTNBD.net