এটা টেস্ট কেস, দেখি সরকার কোন পথে যায়: গয়েশ্বর

এটা টেস্ট কেস, দেখি সরকার কোন পথে যায়: গয়েশ্বর

বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদি দল বিএনপির নেতাকর্মীদের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল এর আগে বিএনপির কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এই বিষয় নিয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে আলোচনা করেন এবং সেই সাথে তিনি বিএনপির সভা সমাবেশে সরকারের বাধা দেওয়ার ব্যপারটি নিয়েও নানা কথা বলেন তিনি তার বক্তব্যে নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার কথা বলেছেন এবং তিনি বলেন এখন আমরা অ্যাক্ট করব সরকার রিয়্যাক্ট করবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আমরা এখানে নেতাদের জন্য দোয়া করতে এসেছি। যদি বাধা না হয়; রাস্তায় কেন বাধা থাকবে? শনি ও রবিবার দুই দিনেই জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাধা ছিল। এটা একটা টেস্ট কেস, দেখা যাক সরকার কোথায় যাচ্ছে। ”
রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সুস্থতা কামনায় অনুষ্ঠিত মাহফিলের আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় গয়েশ্বর এ মন্তব্য করেন।

নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় দলটির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরও বলেন, “একটা সময় আসে যখন প্রতিটি কৌশল সফল হতে পারে না। সরকার এখন যে কৌশল গ্রহণ করুক না কেন তা ব্যর্থ হবে; কারণ এখন সরকারের ব্যর্থতার সময়। আর বিএনপি তাদের কৌশলে সফল হবে। কারণ এখন বিএনপির সফল হওয়ার সময়।যেখানে জেলা সমাবেশ বন্ধ করা যায় না, সেখানে ১৪৪ ধারা দিয়েও জনগণকে থামানো যায় না।তাই এ ধরনের বিধিনিষেধ দিয়ে আন্দোলন থামানো যায় না।

দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন: “আমরা যে কর্মসূচি দিয়েছি (জেলাগুলোতে বিক্ষোভ) তা স্থগিত করা হয়নি; আপনাদেরকে পুনঃনির্ধারণ ও প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। আপনাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। যখন কর্মসূচি পুনঃনির্ধারণ ও ঘোষণা করা হবে। আরও শক্তি নিয়ে মাঠে নামতে হবে।
সরকার সরকারি বিধিনিষেধের কথা বলছে না বলে মন্তব্য করেন গয়েশ্বর। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন, ট্রেড শোসহ সবকিছুই করছেন এবং করবেন। সরকারকে এখন আক্রমণ করা হচ্ছে না তারা নিজেদের রক্ষা করছে। তাই ভয়ের কিছু নেই। আত্মরক্ষার উপর প্রবল জোর মেলে; জিততে পারব না

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বিএনপি নেতা বলেন, “এখন আমরা কাজ করতে যাচ্ছি; তারা (সরকার) প্রতিক্রিয়া জানাবে। এখন আমরা অ্যাক্ট করব; ওরা (সরকার) রিয়্যাক্ট করবে। আপনারা নিজেদের প্রস্তুত করুন। সরকারের খেলা জনগণ কীভাবে খেলবে তা দেখার অপেক্ষায় ছিলাম। ।সরকারের বিধিনিষেধকে জনগণ খেলা বলছে।এখন আর ভয় নেই।আজীবন সরকারের অনুমতি নিয়ে কর্মসূচি করতে হবে?ওই কর্মসূচির অনুমতি লাগে না,সেই কর্মসূচি হবে।

আল্লাহর রহমতে বেগম খালেদা জিয়া বেঁচে আছেন বলে মনে করেন গয়েশ্বর।তিনি বলেন, এই সরকার চলে যাবে। সরকার এখন কোমায়। সরকার চলে যেতে চায় বলেই এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। পুলিশ থাকবে না। অতীতে সরকারকে রক্ষা করতে পুলিশ প্রাণ দেয়নি। বরং তিনি এসেছেন মানুষের উদ্ধারে। কোনো বিচারক অন্যায় করলে তারও বিচার হতে পারে, যেহেতু দেশের সংবিধান আছে। দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলে সকল অন্যায়কারীদের বিচারের আওতায় আনা হবে। কেউ রক্ষা পাবে না।

এ দোয়া মাহফিলে অংশ নেন ঢাকা মহানগর উত্তর আমানের সমন্বয়ক উল্লাহ আমান, সম্পাদক সদস্য আমিনুল হক, দক্ষিণ সমন্বয়কারী আবদুস সালাম, সম্পাদক সদস্য রফিকুল আলম মজনু প্রমুখ। এ ছাড়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সরফত আলী সপু, তাইফুল ইসলাম টিপু, হাবিবুর রশিদ হাবিব, মহানগরের নবীউল্লাহ নবী, আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, যুবদলের সাইফুল আলম নীরব, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, গোলাম মওলা শাহীন ও মো. অন্যান্য.
বিএনপির নেতাকর্মী যারা রয়েছেন তারা দলের চেয়ার পার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা এবং সেই সাথে নেত্রীর উন্নত চিকিৎসার জন্য তারা সরকারের কাছে আবেদন করলেও তাতে সাড়া দেয়নি সরকার এই কারনে তারা নানা আন্দোলন করে চলেছে কিন্তু সেখানেও বাধা পড়ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© All rights reserved © 2017 RTNBD.net