বাংলাদেশে পদ্মফুল রপ্তানি করবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ

বাংলাদেশে পদ্মফুল রপ্তানি করবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ

আসন্ন দুর্গাপূজাকে লক্ষ্য করে মালদাহে ব্যাপকভাবে চাষ হয়েছে” পদ্ম ফুলের”। বেশকিছু হিমঘরে পদ্মফুল সংরক্ষরণ করে রাখার কাজও শুরু করে দিয়েছেন চাষীরা। দুর্গাপূজার শুরুতে আসাম, ঝাড়খণ্ড, বিহার, উত্তরপ্রদেশের পাশাপাশি এবার বাংলাদেশেও পদ্মফুল পাঠানোয় উদ্যোগ নিয়েছেন ভারতের রপ্তানিকারকরা।এই উদ্যোগে খুশি হয়েছেন ভারতীয় পদ্মফুল চাষীরাও। “এবছর ফুল রপ্তানি করে ভালো লাভের আশা করছেন তারা|

 

মাহাদীপুর’ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক এবং একটি হিমঘরের মালিক উজ্জ্বল সাহা জানিয়েছেন- দুর্গাপূজার জন্য এখন থেকেই হিমঘরে পদ্মফুল সংরক্ষণের জন্য আসছেন চাষীরা।সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান “ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজায় প্রয়োজন হয় ১০৮টি করে পদ্মফুল। এছাড়া, আশ্বিন-কার্তিক মাসেও বিভিন্ন পূজায় পদ্মফুলের চাহিদা রয়েছে। এতদিন ওড়িশা থেকেই বেশি পরিমাণে পদ্মফুল মালদাহের পাশাপাশি বাইরে রপ্তানি করা হত। ‘এদিকে, “বাংলাদেশের আমদানিকারকরা পদ্মফুল আমদানির ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।পদ্মের চাষ হয় মূলত পরিত্যাক্ত জলাশয়ে।- চাষীরা অন্যের পুকুর বা জলাশয় লিজ নিয়ে পদ্ম চাষ “করেন থাকেন। আবার অনেকে নিজের জলাশয়েও চাষ করে থাকেন এই ফুল। ভারতের হর্টিকালচার দপ্তর সূত্র জনায়, মালদাহ জেলার ১৫টি ব্লকের মধ্যে ইংরেজবাজার, পুরাতন মালদাহ, হাবিবপুর, গাজোল, চাচোল, হরিশ্চন্দ্রপুর, মানিকচক ব্লকগুলোয় পদ্ম চাষ করা হয়।প্রদীপ মণ্ডল এবং শাহজাহান আলির মতো পদ্ম চাষীরা জানান, করোনা সংক্রমণের মাঝে গত বছর পদ্মচাষে কিছুটা ব্যঘাত ঘটেছিল। উৎপাদন হয়েছিল কম।

 

কিন্তু এ বছর অনুকূল আবহাওয়ার কারণে পদ্ম চাষ  ভাল হয়েছে।আগে ওড়িশা থেকে মালদাহে পদ্মফুল আমদানি হত। তবে, সেটি সরাসরি পাইকারদের কাছে চলে যাওয়ায়, পূজা কমিটির উদ্যোক্তাদের সেই পদ্মফুল কিনতে হত চড়া দামে। চাষীরা আরও জানান, এক পিস পদ্ম ফুল উৎপাদনে খরচ হয় সাড়ে চার টাকা।” কিন্তু এখন প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে ৮ থেকে ১০ টাকায়।এছাড়া, পাইকারদের কাছে সরবরাহের পাশাপাশি, অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও বাংলাদেশে রপ্তানির ফলে এই বছর পদ্ম ফুলের ব্যবসায়ে বড় ধরণের লাভের আশা করছেন  পদ্ম চাষীরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© All rights reserved © 2017 RTNBD.net