রাজাকারের সন্তান সরকারি চাকরি পাবেন না বলে মন্ত্রী মহোদয় স্টেস্টমেন্ট দিচ্ছেন আর বিমান চালাচ্ছেন রাজাকারের সন্তান: রাব্বানি

রাজাকারের সন্তান সরকারি চাকরি পাবেন না বলে মন্ত্রী মহোদয় স্টেস্টমেন্ট দিচ্ছেন আর বিমান চালাচ্ছেন রাজাকারের সন্তান: রাব্বানি

রাজাকারের সন্তান সরকারি চাকরি পাবেন না বলে মন্ত্রী মহোদয় স্টেস্টমেন্ট দিচ্ছেন আর বিমান বাংলাদেশ এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও CEO এর মতো গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল পদে বহাল তবিয়ৎ রাম রাজত্ব করছেন, একজন চিহ্নিত রাজাকারের সন্তান!
আবু সালেহ মোস্তফা কামাল
বি,এস,সি (সম্মান), উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ, ঢা,বি।
বিসিএস ব্যাচ: ১১
পিতাঃ মোঃ জিয়াউর রহমান (সাবেক ফুড-ইন্সপেক্টর), মুসলিম লীগের একনিষ্ঠ সমর্থক এবং চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার পিস কমিটির চেয়ারম্যান, মরহুম ইউসুফ আলী বিশ্বাসের (এম,এল,এ-মুসলিমলীগ থেকে) একান্ত আস্থাভাজন ও ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে সক্রিয় রাজাকার ছিলেন।

মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতা বিরোধীশক্তির পক্ষে তার প্রকাশ্য অবস্থান সম্পর্কে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাগণ বিস্তারিত বলতে পারবেন।
তারা পারিবারিকভাবে জামায়াতে ইসলামী এর মতাদর্শে বিশ্বাসী। আপন বড় ভাই শাহ নেওয়াজ (সোনালী ব্যাংক ম্যানেজার) স্থানীয় জামায়াত নেতাদের সাথেই ওঠাবসা-ঘনিষ্ঠতা যা স্থানীয় সবার জানা। ১৪ গোষ্ঠীর মধ্যে আওয়ামীলীগ এর ছিটেফোঁটাও নেই। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন সময়ে ছাত্রদল-শিবিরের সাথেই তার ওঠাবসা-চলাফেরা ছিলো বলে সমসাময়িক সহপাঠীদের কাছে জানলাম।
আর লোকটার এন্টি-ছাত্রলীগ মনোভাব বা এলার্জি কোন পর্যায়ে তার প্রমাণ আমি নিজেই পেয়েছি!

বিমানের জনৈক DGM, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান, পিতা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, আপন দুই ভাই যথাক্রম পৌর ও উপজেলা আওয়ামীলীগ এর বর্তমান সভাপতি, ৯০ এর দশকে কাওসার ভাই, লিজু ভাই, রাজা ভাইদের সাথে সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে সক্রিয়ভাবে ছাত্রলীগ করেছেন, একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড ও ক্যারিয়ার প্রোফাইলও সবার চেয়ে ভালো। কিন্তু ছাত্রলীগ ব্যাকগ্রাউন্ড ও আওয়ামীলীগ পরিবার হওয়ায় বর্তমান এমডি ‘GM’ হিসেবে তার প্রাপ্য পদোন্নতি থেকে তাকে বঞ্চিত করতে পারেন, এমন শঙ্কা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ছাত্রলীগের বড় ভাইয়ের জন্য জীবনে প্রথমবার বলাকা অফিসে গিয়েছিলাম।

এমডির পিএস তাকে আমার কথা বলার পর, এমডি সাহেব প্রথম দুইবার দেখা করা যাবে না বলে ডাইরেক্ট ফিরিয়ে দিলেন, এরপর বিমান চেয়ারম্যান সাজ্জাদ ভাই তাকে ফোন করার পর আরো ১৫ মিনিট বসিয়ে রেখে তিনি রুম থেকে বেরিয়ে আমার সাথে যে চরম অসৌজন্যমূলক ও রূঢ় আচরণ করলেন, তাতে শতভাগ নিশ্চিত হলাম, এই লোক আপাদমস্তক ঘোর ছাত্রলীগ-আওয়ামীলীগ বিরোধী!
এরপর তার এলাকায় খোঁজ নিয়ে পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পর্কে জানলাম। এমন পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে রাজাকারের ছেলে কিভাবে বিমানের এমডি হয়, কে বা কারা কোন স্বার্থে তাকে এখানে বসিয়েছে সেটা খতিয়ে দেখা জরুরী।

তিন/চার গুণ মূল্যবৃদ্ধি করে নির্দিষ্ট কিছু এজেন্সির মাধ্যমে বিমানের টিকিট বিক্রি সিন্ডিকেটের মূল কুশীলব তিনি, যার জন্য সরকারের ভাবমূর্তি দারুণভাবে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।
বিমানের এমডি সাহেব ছাত্রলীগার করা বা পারিবারিক আওয়ামী ব্যাকগ্রাউন্ড আছে এমন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সব যোগ্যতা থাকার পরও পদোন্নতি বঞ্চিত করছেন, বাজে আচরণ, হেনস্তা-হয়রানী করছেন হরহামেশাই।
প্রভাবশালী আমলা হওয়ায় ভুক্তভোগীরা বিমানের চেয়ারম্যান ও মন্ত্রী মহোদয় বরাবর অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার না পেয়ে তারা আস্থার শেষ ঠিকানা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© All rights reserved © 2017 RTNBD.net