‘একটা প্রমাণ দেন আমি কাউকে টেলিফোন করেছি কি না, যে আপনি হারিসের পাসপোর্ট টা করে দেন’

‘একটা প্রমাণ দেন আমি কাউকে টেলিফোন করেছি কি না, যে আপনি হারিসের পাসপোর্ট টা করে দেন’

আল-জাজিরা চলতি বছরের পয়লা ফেব্রুয়ারিতে সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ ও তার ভাইদের নিয়ে একটি তথ্য’প্রচার করে।এ নিয়ে তুমুল আলোচনা তৈরি হয়। তথ্যচিত্র প্রকাশের পর বিব্রত হয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন আজিজ আহমেদ। ওই সময়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্র সফরে ছিলেন। সেখানে এর কোনো প্রভাব পড়েনি বলে দাবি করেন তিনি।
সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলের এক অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব) আজিজ আহমেদ। এক ঘণ্টার ওই অনুষ্ঠানে ডয়চে ভেলের বাংলা বিভাগের প্রধান খালেদ মুহিউদ্দীনের নানা প্রশ্ন ও তার বিরুদ্ধে উঠা নানা অভিযোগের জবাব দিয়েছেন তিনি।

তথ্যচিত্রে অভিযোগ করা হয়েছিল, ইসরায়েল থেকে স্পাইওয়্যার ও সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ক্রয় প্রক্রিয়ায় জেনারেল আজিজ আহমেদ প্রভাব খাটিয়েছেন। এর উত্তরে তিনি দাবি করেন, কেনাকাটাগুলো যখন হয়, তখন সেনাপ্রধান হিসেবে এর সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। যদিও তিনি দায়িত্ব নেওয়ার একদিন পর নজরদারি প্রযুক্তি ক্রয়ের স্বাক্ষর হয়।
তিনি দাবি করেন, প্রক্রিয়াগুলো আগেই সম্পন্ন হয়েছিল। তিনি বলেন, আমি চ্যালেঞ্জ করছি, কেউ যদি কোনো একটা ‘অ্যাভিডেন্স’ দিতে পারেন যে আমি বিজিবিতে থাকাকালে, আমি সেনাপ্রধান থাকাকালে আমার কোনো ভাই বা আত্মীয়কে বিজিবি বা সেনাবাহিনীর কোনো ‘আর্মস, ইকুয়েপমেন্ট, অ্যামুনেশান প্রকিউরমেন্ট, কন্ট্রাক্ট’ দিয়েছি, এটা যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে, ‘আই উইল অ্যাকসেপ্ট অ্যানিথিং। আই অ্যাম রেডি। আই অ্যাম গিভিং আ চ্যালেঞ্জ।
সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, জেনারেল আজিজ আহমেদের দুই ভাই হারিছ আহমেদ ও তোফায়েল আহমেদ নতুন নাম আর ভিন্ন ঠিকানা ব্যবহার করে জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট সংগ্রহ করেছেন। এ বিষয়ে প্রশ্নের উত্তরে সাবেক সেনাপ্রধান বলেন, ‘কত লাখ লাখ বাংলাদেশি বিদেশে আছেন, তাদের কি নিজস্ব নাম, পিতৃপরিচয় বা ঠিকানা অ্যাকচুয়েলটা ইউজ করছেন?

নাম-পরিচয় পরিবর্তনে প্রভাব খাটিয়েছিলেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে সাবেক এ সেনাপ্রধান বলেন, একটা উদাহরণ দেন কোনো জায়গায় আমি কাউকে টেলিফোন করেছি কি না, যে আপনি একে নির্দেশ দিয়েছেন যে এটা করে দাও। এ রকম কোনো অ্যাভিডেন্স কি আপনাদের কাছে আছে? প্রমাণ দেন।

আবেদনপত্রের কোনো পর্যায়ে তার অধীন কোনো বিজিবি অফিসার যুক্ত ছিলেন কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে সাবেক এ সেনাপ্রধান বলেন, এ ধরনের কোনো কিছু হয়েছে কি না, আমার জানা নেই। আর এ ধরনের স্বাক্ষর করার প্রসঙ্গ এসেছিল কি না, আমার ঠিক মনে পড়ছে না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© All rights reserved © 2017 RTNBD.net